সংখ্যা ০৪ · ১১৮তম সংস্করণ স্বাধীন · প্রতিবেদকচালিত শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
ফিল্ড রিপোর্ট

যে বাস রুট একটি পাড়ার একমাত্র ক্লিনিক বাঁচাল

পৌর বাজেট কাটছাঁটে যখন ১৪ নম্বর রুট বন্ধ হয়ে গেল, চর বাজারের ডায়ালাইসিস রোগীরা ক্লিনিকে আসা বন্ধ করে দিলেন। এরপর ক্লিনিকের কর্মীরা যা করলেন, সেই গল্প।

এগারো বছর ধরে ১৪ নম্বর বাসই ছিল একমাত্র রুট, যা চর বাজারের ডায়ালাইসিস ইউনিটের কাছাকাছি হেঁটে যাওয়া দূরত্বে থামত। মার্চ মাসে শহরের পরিবহন বাজেট কাটার সময়, এই রুটটিকে চুপচাপ একটি দীর্ঘ, কম ঘন ঘন চলা লাইনের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয় — কাগজে-কলমে যা কিছুই বদলায়নি, কিন্তু যাদের প্রতি সপ্তাহে তিন সকালে ঠিক ৭টায় ক্লিনিকের চেয়ারে থাকতে হয়, তাদের জন্য বদলে গেছে অনেক কিছু।

দুই সপ্তাহের মধ্যেই ইউনিটের প্রধান নার্স ফরিদা ইয়াসমিন লক্ষ্য করলেন, চারজন নিয়মিত রোগী আসছেন না। দুজন থাকতেন হাঁটার দূরত্বে, কিন্তু ডায়ালাইসিসের দিন হাঁটাই তো সেই চিকিৎসা যা ঠেকাতে চায়।

"কারো কিডনি বাসের সময়সূচির জন্য অপেক্ষা করতে পারে না — এটা আমরা বলতে পারি না।"

এরপর যা ঘটল তা কোনো নীতিগত সমাধান ছিল না। এটি ছিল একটি স্প্রেডশিট, একটি ধার করা ভ্যান, আর ক্লিনিকের নিজেরই তিনজন রোগীর তৈরি একটি স্বেচ্ছাসেবক তালিকা — এমন মানুষ, যাদের অন্য কারো পরিবহন সমস্যা সমাধানের সময় বা শক্তি সবচেয়ে কম থাকার কথা, তবু তারাই এগিয়ে এলেন।

এই প্রতিবেদনে এক মাস ধরে সেই তালিকা অনুসরণ করা হয়েছে — কে গাড়ি চালিয়েছেন, কে পারেননি, এবং জুন মাসে শহর যখন স্টপেজটি আবার চালু করতে রাজি হলো, তার আগে চারটি নাম কীভাবে আবার ক্লিনিকের হাজিরা খাতায় ফিরল।

এটি প্রতিবেদন টেমপ্লেটের নমুনা লেখা — প্রকাশের আগে নিজের প্রতিবেদন, ছবি ও সূত্র যুক্ত করুন।

চর বাজার থেকে আরও

ফিল্ড রিপোর্ট

যে দর্জি পাড়ার কাগজপত্র গুছিয়ে রাখেন

কমিউনিটি অফিস হওয়ার আগে থেকেই ছিল নাসরিন আপার সেলাই টেবিল।

রেহনুমা মমতাজ৫ মিনিট
সরেজমিন

১৯৯৮ সাল থেকে প্রতিটি বন্যার হিসাব

এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের খাতাই এখন জেলার সবচেয়ে বেশি উদ্ধৃত বন্যার নথি।

অনিক বড়ুয়া৯ মিনিট